চলতি বছরের বিশ্ব ইজতেমা ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘বিশেষ পরিস্থিতির কারণে ইজতেমা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশে এরই মধ্যে নির্বাচনের আমেজ শুরু হয়ে গেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনি দায়িত্বে ব্যস্ত থাকবে। এ কারণেই নির্বাচন ও রমজানের পর ইজতেমা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তাবলীগ জামায়াতের জুবায়ের ও সা’দপন্থিদের সঙ্গে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ধর্ম উপদেষ্টা। সরকারের এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাবলীগ জামায়াতের দুই পক্ষই সম্মতি দিয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে কোন পক্ষ আগে ইজতেমা করবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
খালিদ হোসেন বলেন, ‘দুই গ্রুপের একসঙ্গে ইজতেমা আয়োজনের সুযোগ নেই। আলোচনা করে পরবর্তীতে তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার মনে হয় দেশ নির্বাচনের দিকেই এগোচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে। আমরা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো জুলাই সনদে সই না করলেও আলোচনার মাধ্যমে তাদের অবস্থান পরিবর্তন হবে বলেও আশা করেন তিনি।
এসময় ইসলামি বক্তা জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টা জানান, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
তিনি বলেন, ‘জাকির নায়েককে যারা আনতে চাচ্ছেন তারা আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। আমি তাদের জানিয়েছি, এটি আমার মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে নয়। বিদেশি অতিথি এলে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই বিষয়টি দেখভাল করে। তারা অনুমতি দিলে তিনিই বাংলাদেশে আসতে পারবেন।’


