বকেয়া বেতন পরিশোধ ও সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতনের দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় টানা পঞ্চম দিনের মতো রাজপথে নামার চেষ্টা করেছে পোশাক শ্রমিকরা।
শনিবার সকালে উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এসময় আন্দোলনকারীরাও লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, এতে আহত হন কয়েকজন পুলিশ সদস্য।
উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রেজাউল করিম টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, পোশাকশ্রমিকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন।
হামলায় পুলিশের ১৬ থেকে ১৭ জন সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ছাড়া, এক পুলিশ সদস্যের হাত ভেঙে গেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা এর আগে জানান, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কয়েক দিন ধরে তারা এই আন্দোলন করছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
গত ১২ অক্টোবর থেকে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করছেন তারা।


