ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার আদালতের মালখানার পুলিশ সদস্যের রিমান্ড

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার আদালতের মালখানার পুলিশ সদস্যের রিমান্ড
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

১৭৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ঢাকার নিম্ন আদালতের মালখানায় আলামত নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল মো. রেজাউল করিমকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার বিকালে তাকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালতের মালখানায় জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার জন্য এনে রাখা হয়। সেখানে কর্তব্যরত একজন কর্মকর্তার কাছে কীভাবে ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়, সেটি জানতে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। এসব ইয়াবা তিনি কোথা থেকে সংগ্রহ করেছেন এবং কোথায় দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সেই রহস্য উদঘাটন হবে।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই কনস্টেবল ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কোর্ট প্রসিকিউশন (আদালত) বিভাগের মালখানায় আলামত নিষ্পত্তি শাখায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে গত রাতে পুরান ঢাকার সূত্রাপুরের ওয়াল্টার রোডের ‘বিসমিল্লাহ বিরানি ঘর’ থেকে তাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, র‍্যাব-৩-এর সিপিএসসি-২, মগবাজার ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, সূত্রাপুরের ওয়াল্টার রোডের বিসমিল্লাহ বিরানি ঘরের ভেতর এক ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ে র‍্যাবের দলটি সেখানে পৌঁছালে ওই ব্যক্তি চতুরতার সঙ্গে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে উপস্থিত আভিযানিক দল ও সাক্ষীদের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন

আটক রেজাউল করিমের উপস্থিতিতে দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের সামনের ডান পকেট থেকে ১ হাজার ৭৯০ পিস নীল ও কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবার ওজন ১৭৯ গ্রাম এবং অবৈধ বাজারমূল্য আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। তার হেফাজত থেকে মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও ভিভো ব্র্যান্ডের একটি স্মার্টফোনও আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।

জব্দ করা আলামতসহ রেজাউল করিমকে সূত্রাপুর থানায় হস্তান্তর করা হলে পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার এসআই সুমন কুমার চ্যাটার্জী রিমান্ড আবেদনে জানান, আসামি কোথা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে কার কাছে বিক্রি করে এবং এর সাথে অন্য কেউ সংশ্লিষ্ট আছে কি-না তা জানতে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জানতে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেলকে ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad