ইরানে ৮২ হাজারের বেশি বেসামরিক ইউনিটে হামলা
ইরানে এ পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি বেসামরিক ইউনিটে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
ইরানের রেডক্রিসেন্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে ৮২ হাজার ৪১৭ টি ‘বেসামরিক ইউনিট’ বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে মোট ২৮১টি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ফার্মেসি রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেই হামলা এখনো চলমান। পাল্টা জবাবে ইরান ইসরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ
ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি যুবরাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুক্তি দিচ্ছেন, মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠনের এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ সুযোগ এনে দিয়েছে।
গত সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে সৌদি যুবরাজের। এসব আলোচনার বিষয়ে জানেন–এমন সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ কথা জানিয়েছে।
সৌদি যুবরাজ যুক্তি দিয়েছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী হুমকির মুখে রেখেছে, যা ইরান সরকারকে নির্মূল করার মাধ্যমে দূর করা যেতে পারে।
তবে সৌদি কর্মকর্তারা যুবরাজের এমন অবস্থানের কথা অস্বীকার করেছেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
হরমুজ প্রণালির বিষয়ে ট্রাম্প-মোদির আলোচনা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন।
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর এটি প্রথম আলোচনা। মোদি এক্সে পোস্টে বলেছেন, শান্তি স্থাপনের এবং উত্তেজনা কমানোর পক্ষে ভারত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি ‘খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য প্রবেশযোগ্য রাখা বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য অত্যাবশ্যক।’ এই জলপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট এবং ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ কাঁচা তেলের আমদানি হয় এখান থেকেই।
নরেন্দ্র মোদি সোমবার সংসদে বলেন, চলমান সংঘাত উড়োজাহাজ চলাচল, জাহাজ চলাচল ও গ্যাস সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতকে প্রভাবিত করছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, ভারত তেল, সার এবং কয়লার যথেষ্ট মজুত রাখায় সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলা করতে সক্ষম।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের রাষ্ট্রদূতকে দেশ ছাড়তে বলেছে লেবানন
লেবাননে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা শেইবানিকে ২৯ মার্চের মধ্যে দেশ ছাড়তে বলেছে বৈরুত। লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছে।

লেবানন সরকার বলেছে, ইরান কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও দুই দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত প্রোটোকল ভেঙেছে।
লেবানন সরকার সাধারণত এমন ভাষা ব্যবহার করে লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিষয়টি বোঝাতে, বিশেষ করে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের সমর্থনের বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে।
এ ছাড়া ইরানে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে লেবানন সরকার।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান বাকের জোলকাদর
ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর। ইসরায়েলের হামলায় নিহত আলী লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।

ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এ কথা জানিয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলে আহত ৪৮২৯, দাবি তেল আবিবের
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৪ হাজার ৮২৯ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলে আহত এ ব্যক্তিদের মধ্যে ১১১ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং ১২ জনের অবস্থা গুরুতর।
সূত্র: দ্য ডন
লেবানন ও গাজায় ইসরায়েল ব্যাপক যুদ্ধাপরাধ চালাচ্ছে: আইআরজিসি
লেবানন ও গাজায় বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘বিরতিহীন’ হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
এক বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে লেবানন ও ফিলিস্তিনে বেসামরিকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক যুদ্ধাপরাধ চালাচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ’র খবরে বলা হয়, এই ধরনের হামলা বন্ধ না হলে উত্তর ইসরায়েল এবং গাজা সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হবে বলেও হুমকি দিয়েছে বাহিনীটি।
ইরাকে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ১৪

ইরাকের আনবার প্রদেশে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর একটি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে।
এই হামলায় গোষ্ঠীটির অপারেশন কমান্ডের সদর দপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে সংগঠনটির শীর্ষ নেতা সাদ দাওয়াইও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এর আগে প্রাথমিক খবরে সংগঠনটির দুই সশস্ত্র সদস্য নিহতের খবর জানানো হয়।
জ্বালানি খরচে সহায়তায় নাগরিকদের নগদ অর্থ দেবে নিউজিল্যান্ড সরকার

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের জেরে জ্বালানির বাড়তি দামের চাপ সামাল দিতে নিম্ন আয়ের নাগরিকদের নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার। প্রাথমিকভাবে প্রতি সপ্তাহে প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার পরিবারকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান চলমান সংঘাত শুরুর পর কোনো দেশের নাগরিকদের সরাসরি অর্থ সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে এটিকে বিশ্বের প্রথম উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন এবং অর্থমন্ত্রী নিকোলা উইলিস মঙ্গলবার জানান, সন্তানসহ প্রায় এক লাখ ৪৩ হাজার পরিবার প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ৫০ নিউজিল্যান্ড ডলার করে সহায়তা পাবে। এই অর্থ ‘ইন-ওয়ার্ক ট্যাক্স ক্রেডিট’ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেওয়া হবে, যা কর্মরত অভিভাবকদের জন্য নির্ধারিত একটি ভাতা।
এছাড়া, তুলনামূলক বেশি আয়ের আরও প্রায় ১৪ হাজার পরিবারও এই সহায়তা পাবে, তবে তারা সাপ্তাহিক ৫০ ডলারের কম অর্থ পাবে।
সরকার জানিয়েছে, এই সুবিধা সাময়িকভাবে চালু থাকবে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এক বছরের জন্য এই ভাতা কার্যকর হবে, অথবা ৯১ অকটেন পেট্রোলের দাম টানা চার সপ্তাহ প্রতি লিটারে তিন নিউজিল্যান্ড ডলারের নিচে না নামা পর্যন্ত এই সহায়তা চালু থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুরুর পর নিউজিল্যান্ডে পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ সেন্ট বেড়েছে। ফলে বর্তমানে আনলেডেড জ্বালানির গড় দাম তিন ডলার ছাড়িয়েছে।
এদিকে, জ্বালানির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে জ্বালানি মজুত করতে শুরু করেছেন। ফলে দেশের কিছু পেট্রোল স্টেশনে জ্বালানি সংকটের খবরও পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটিতে পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েল মিলিয়ে মোট প্রায় ৪৬ দিনের জন্য মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডের জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ: তীব্র জ্বালানি সংকটে ভুগছে অস্ট্রেলিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মারাত্মক জ্বালানি সংকটে ভুগছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির তিনটি সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্যে ক্রমাগত জ্বালানির ঘাটতি বাড়ছে। এরইমধ্য জ্বালানিশূন্যতায় বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত ১৮৪টি পেট্রোল স্টেশন।
মঙ্গলবার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস জানান, ৫১টি সার্ভিস স্টেশনে পেট্রোল এবং ১৬৪টিতে ডিজেল পাওয়া যায়নি। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩৮ ও ১৩১।
দেশটির ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের পরিস্থিতি আরও গুরুতর। সেখানে ১০১টি স্টেশনে পেট্রোল এবং ৮৩টিতে ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে। রাজ্যের জ্বালানি মন্ত্রী জানিয়েছেন, কিছু এলাকায় জ্বালানির চাহিদা ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
কুইনসল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ৩২টি স্টেশনে নিয়মিত পেট্রোল (রেগুলার আনলেডেড) এবং ৪৭টিতে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না।
এই ক্রমবর্ধমান সংকটের মধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে অস্ট্রেলিয়া সরকারের জ্বালানি সরবরাহ বিষয়ক টাস্কফোর্স।
সুত্র: দ্য গার্ডিয়ান
প্রতিরক্ষা দপ্তরের সংবাদ অফিস বন্ধ করল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন তাদের ভেতরে থাকা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের অফিসগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন। দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট গোপন এবং সংবেদনশীল নথি প্রকাশের ওপরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনার বিরোধিতা করে ফেডারেল আদালতে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিএনএনের খবরে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সাংবাদিক স্বীকৃতি নীতিমালা বাতিল করার পর পেন্টাগণ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন সাংবাদিকদের জন্য একটি নতুন নিয়ম চালু করে। পেন্টাগন জানায়, সাংবাদিকদের এই দপ্তরে কাজ করার অনুমতি পেতে হলে বিশেষ বিধি নিষেধ নথিতে সই করতে হবে।
ওই নথি অনুযায়ী, সাংবাদিকরা পেন্টাগনের কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করবে না এবং পেন্টাগনের অনুমতি ছাড়া কোনো তথ্য সংগ্রহ করবে না।
সে সময় ট্রাম্পের এই নিয়মের বিরুদ্ধে মামলা করে প্রখ্যাত সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। পত্রিকাটির দাবি ছিল, এই শর্তগুলো সাংবাদিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত সেই যুক্তি গ্রহণ করে গত শুক্রবার নিয়মটি বাতিল করে দেয়।
এরপর পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র সিয়েন পার্নেল জানান, পেন্টাগনের ভেতরে সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট ‘সাংবাদিক করিডোর’ বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেখানে থাকা সংবাদমাধ্যমের অফিসগুলো অন্য একটি ভবনে সরিয়ে নেওয়া হবে।
অবশ্য পেন্টাগনের দাবি, নতুন এই ব্যবস্থায় সাংবাদিকরা পুরোপুরি নিষিদ্ধ হচ্ছেন না। তারা আগের মতোই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে পারবেন এবং কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকারের জন্য পেন্টাগনের ভেতরে যেতে পারবেন। তবে ভবনের ভেতরে অবস্থানকালে তাদের সঙ্গে একজন সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকবে।
সুত্র: সিএনএন
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ: মজুদ করা তেল ছাড়বে জাপান

ইরান যুদ্ধের জেরে তেলের বাজারে সংকট মোকাবিলায় মজুদ করা তেল বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে জাপান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, মার্চের শেষেই যৌথ তেল মজুদ থেকে তেল ছাড়ার কাজ শুরু হবে।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাকাইচি বলেন, ‘২৬ মার্চ থেকে জাতীয় তেল মজুদ থেকে বাজারে তেল ছাড়ার কাজ শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে গ্যাসোলিনের (তরলীকৃত গ্যাস) মতো পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য সরবরাহে যেন কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে তা নিশ্চিত করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।’
‘মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়- বিশেষ করে জাপানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মনে করেন তাকাইচি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, ‘তেলের পর্যাপ্ত মজুদ থাকা স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহের জন্য অপরিহার্য। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টও জাপানের সঙ্গে একমত হয়েছেন।’
সুত্র: আল জাজিরা
ইরানি অধ্যাপক শামাঘদারি দুই সন্তানসহ নিহত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রখ্যাত অধ্যাপক সাঈদ শামাঘদারি নিহত হয়েছেন। ওই হামলায় তার দুই সন্তানও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের ইংরেজি সংবাদ চ্যানেল প্রেস টিভি।
খবরে বলা হয়, অধ্যাপক শামাঘদারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও বিজ্ঞানী ছিলেন। মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে বোমা ফেলে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ইরানের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের লক্ষ্যবস্তু করে ইসরায়েল নির্ভুল হামলা চালাচ্ছে দাবি করে প্রেস টিভি জানায়, শামাঘদারি নিজের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন। ছেলে মোহাম্মদ এবং মেয়ে রেহানেহও হামলার সময় তার সঙ্গে ছিলেন এবং তারাও নিহত হয়েছেন।
ওই হামলায় ভবনের অন্য বাসিন্দারাও হতাহতের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং।

এদিকে শামাঘদারি এবং তার দুই সন্তানের মৃত্যুকে ‘গভীর শোকের ঘটনা’ উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আগেও প্রখ্যাত অধ্যাপক শামাঘদারিকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তাকে হত্যা করা হলেও তার বৈজ্ঞানিক গবেষণা কিংবা সৃষ্টিকে ধ্বংস করা যাবে না। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে এর যোগ্য জবাব পেতে হবে।
এর আগেও, ইরানের অস্ত্র তৈরির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ এনে দেশটির বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজনকে হামলা ও হত্যার লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী।
সুত্র: আল জাজিরা


