জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মামলায় ২ এপ্রিল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার।
আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সিফাত মাহমুদ।
তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতার কারণে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে চাননি হাসানুল হক ইনু। এরপরও তাকে জোর করে আনা হয়েছে। তবে, তাকে মামলা চলাকালে কাঠগড়ায় আনা হয়নি, তিনি হাজতখানায় ছিলেন।’
নিজের বিরুদ্ধে আনা প্রসিকিউশনের অভিযোগের জবাবে ইনু আদালতে মৌখিকভাবে বক্তব্য রাখতে চেয়েছিলেন, তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানান তার আইনজীবী।
তিনি জানান, ইনুর ৬৪ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্য আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
গত বছরের ১ ডিসেম্বর এই মামলায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর, সুনির্দিষ্ট আটটি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে প্রসিকিউশন।
সেদিনই শুনানি শেষে ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। এরই মধ্যে প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২৬ আগস্ট ইনু গ্রেপ্তার হন।
গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ইনু। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়ায় নিজ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে হেরে যান তিনি।


