বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গোলশূন্য ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার জয়, নেশন্স লিগে ৯ গোলের রোমাঞ্চে স্পেনের জয়
৬ জুন ২০২৫ ছিল আন্তর্জাতিক ফুটবলের দারুণ এক দিন। দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাই আর ইউরোপের নেশন্স লিগ—দুই মহাদেশেই মাঠ কাঁপিয়েছে ফুটবল যোদ্ধারা। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত তিনটি ম্যাচে ছিল উত্তেজনা, নাটক আর ইতিহাসের ছোঁয়া। নিচে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দিনের তিনটি হাই-প্রোফাইল ম্যাচের সারাংশ—
ব্রাজিল ০–০ ইকুয়েডর: আনচেলত্তির যাত্রা শুরু গোলহীন ড্র দিয়ে
গুয়ায়াকিলে ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়েই শুরু হলো ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধ্যায়। সদ্য বরখাস্ত হওয়া ডোরিভাল জুনিয়রের জায়গায় দায়িত্ব নেওয়া এই ইতালিয়ান কোচের প্রথম ম্যাচটি ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র চেষ্টা করলেও ইকুয়েডরের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেননি। ম্যাচটি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টায়। ব্রাজিলের কাছে আগের ৩৬ ম্যাচে ২৮ হারলেও এবার ঘরের মাঠে শক্ত দাঁত দেখাল ইকুয়েডর, যারা বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। আর ব্রাজিল আছে চারে। বাছাই থেকে সরাসরি ছয় দল যাবে বিশ্বকাপে, সপ্তম দল যাবে প্লে-অফে। তাই এই ড্র দুই দলকেই টিকে থাকার লড়াইয়ে সাহায্য করল।
আর্জেন্টিনা ১–০ চিলি: মেসিরা ছন্দে, টানা জয়ের পথে
সান্তিয়াগোতে চিলির বিপক্ষে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা জিতেছে ১-০ গোলে। বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এর মধ্যেই ২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। তাই লড়াইটা ছিল আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখার।
ম্যাচটি শুরু হয় সকাল ৭টায়। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা মেসি আবারও দলের ছন্দ ফেরাতে ভূমিকা রাখেন। চিলি চেষ্টা করলেও গোলের মুখ খুঁজে পায়নি। এটি ছিল আর্জেন্টিনার টানা আরেকটি জয়—যা তাদের শীর্ষে রাখল দক্ষিণ আমেরিকার বাছাইয়ে। মার্চে ৪-১ গোলে ব্রাজিলকে হারানোর পর আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাস আরও উঁচুতে।
ফ্রান্স ৪–৫ স্পেন: ইউরোপে গোলবন্যা, ফাইনালে স্পেন
জার্মানির স্টুটগার্ট অ্যারেনায় ভোররাতে দেখা গেল বছরের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ম্যাচ—স্পেন ৫-৪ গোলে হারাল ফ্রান্সকে। ইউরোপিয়ান নেশন্স লিগের সেমিফাইনালটি ছিল অলিম্পিক ও ২০২১ ফাইনালের পুনরাবৃত্তি, যেখানে আগের বার জিতেছিল ফ্রান্স।
বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে দু’দলের তারকারা একের পর এক গোল করে গেছেন। কিলিয়ান এমবাপে গোল করলেও শেষ হাসি হেসেছে স্পেন। তারা এখন টানা ১৮ ম্যাচ অপরাজিত এবং ফাইনালে উঠেছে, যেখানে লক্ষ্য আরও একটি ট্রফি—এইবার মিউনিখে।


