নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে আলাদা অভিযান চালিয়ে তিন হাজার ৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ আন্তঃজেলা মাদক পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও র্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করে র্যাব-১১।
এতে বলা হয়, শনিবার বিকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার তপাদার বাজার এলাকার নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বায়তুল আমান জামে মসজিদের সামনে এবং লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের মান্দারী পূর্ব বাজার এলাকায় একই সড়কের উত্তর পাশে নুর হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়ইতলা এলাকার ধোয়া বাড়ির মো. হারুন (৩৫), দিলসাতপুর এলাকার মো. সুমন ওরফে ইলেকট্রিক সুমন (৪৪) এবং ছিলাদি এলাকার সুলতান মুন্সিবাড়ির মো. বাবুল হোসেন (২২)।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেগমগঞ্জের তপাদার বাজার এলাকায় ক্রেতা সেজে অবস্থান নেয় ডিএনসি ও যৌথ বাহিনী। এ সময় ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে সেখানে আসা হারুন ও সুমন নামের দুইজনকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার মান্দারী পূর্ব বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ বাবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আসামিরা আগে গাড়িচালক হিসেবে কাজ করলেও পরে চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর এলাকায় সরবরাহ করতেন। বাবুল হোসেন অটোরিকশা চালকের ছদ্মবেশে বিভিন্ন এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করতেন।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেগমগঞ্জ মডেল থানা ও চন্দ্রগঞ্জ থানায় আলাদা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট তিন হাজার ৭৯৮ পিস ইয়াবা, নগদ ২০ হাজার টাকা, চারটি মোবাইল ফোন এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।


