নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামে মিরচাঁন সরদার হত্যাকাণ্ডের পর তার পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের অন্তত ৫০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও হত্যা মামলায় নিরীহ মানুষদেরও আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয়রা জানান, বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে নারী-শিশুসহ পরিবারের লোকজন বাড়িতে উঠতে পারছেন না। পরিবারে যারা শিক্ষার্থী রয়েছে তারা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় যেতে পারছে না।
মো. শাহানশা মোল্লা জানান, মিরচাঁন হত্যার দিন তিনি ঢাকায় তার অফিসে কর্মরত ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে তার প্রমাণ রয়েছে। এরপরও তার নামে মামলা করা হয়েছে।
মিরচাঁন হত্যার সুষ্ঠু বিচার এবং হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের যে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ে তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনায় লোহাগড়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
গত ৮ সেপ্টেম্বর আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন মিরচাঁন সরদারকে (৩৭) হত্যা করে। ভ্যানচালক মিরচাঁন সরদার লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত লোকমান সরদারের ছেলে। হত্যার ঘটনায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ ও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে লোহাগড়া থানায় একটি মামলা করা হয়।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, মিরচাঁন হত্যা মামলায় কয়েকজন আসামিকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


