প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতা ও আস্থার ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায়।
বুধবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিইসি বলেন, ‘আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনা আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’
তিনি জানান, ৩১ আগস্টের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যেসব নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১৮ বছর বয়সে পৌঁছাবেন, তাদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সেপ্টেম্বরে নির্বাচনী সরঞ্জাম কেনাকাটার কাজ শেষ হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটের আগে মিডিয়াসহ সকল অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় বসবে কমিশন।’
সিইসি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনকে আয়নার মতো স্বচ্ছ করতে চাই। যেন বিশ্ববাসী বুঝতে পারে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও ঘাটতি রাখা হয়নি। আমরা কিছুই গোপন রাখছি না।’
তিনি জানান, এই নির্বাচনে ৮ থেকে ১০ লাখের মতো ভোটার পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে অংশ নিতে পারেন। এ জন্য পৃথক ব্যবস্থার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাইকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুল তথ্য ছড়ানোর বিষয়ে কমিশন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সিইসি।
দলীয় নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম তো নিষিদ্ধ।’ তবে দলটির সমর্থকরা ভোট দিতে পারবেন, এমন ইঙ্গিত দেন তিনি। দলের নেতাকর্মীরা প্রার্থী হতে পারবেন কিনা- এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি।


