পুলিশের ওপর হামলা-মব: নেত্রকোনায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার

পুলিশের ওপর হামলা-মব: নেত্রকোনায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার
স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা মামুন মিয়া। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নেত্রকোনায় গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলা ও মব সৃষ্টির অভিযোগে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার নাম মামুন মিয়া। তিনি রংছাতি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল কলমাকান্দা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আজাদ ও সদস্য সচিব ইয়াসিন আরাফাত মামুন মিয়াকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। নেত্রকোনা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল কমিটির ১নং যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা দলীয় চিঠির মাধ্যমে মামুন মিয়াকে বহিষ্কারর তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং নৈতিক অবক্ষয়জনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

স্থানীয় ও থানাসূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাচালান, মাদক কারবার এবং পুলিশের অভিযানে বাধা দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টির মামলায় এরইমধ্যে অভিযুক্ত মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে নেত্রকোনা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

নেত্রকোনা জেলা পুলিশের বরাতে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী রংছাতি ইউনিয়নে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

আরও পড়ুন

এ সময় একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে মব সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে বাধা দেয় এবং পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে কৌশলে ওই গোয়েন্দা সদস্যদের একটি ঘরে নিয়ে তালাবদ্ধ করে দেয়। পরে খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় করা মামলায় সরকারি কাজে বাধা, বল প্রয়োগ করে মব সৃষ্টি, হামলা এবং মাদকসহ চোরাকারবারির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় ডাইয়ারকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ও রংছাতি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আজাদ বলেন, ‘দলের শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়- এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন তা কখনো প্রশ্রয় দেয় না। মামলায় আসামি হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর