কুমারখালীতে ভোটকেন্দ্রের পাশে লাল টেপ মোড়ানো ১০টি বস্তু উদ্ধার

কুমারখালীতে ভোটকেন্দ্রের পাশে লাল টেপ মোড়ানো ১০টি বস্তু উদ্ধার
বানিয়াকান্দি বাজার সড়কের ওপর কয়েকটি পাত্রে (বালতি) বোমাসদৃশ বস্তুগুলো রাখা হয়েছে। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ গজ দূরে ১০টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে একটি নেপিয়ার ঘাসের খেত থেকে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়। বানিয়াকান্দি বাজার সংলগ্ন এই বিদ্যালয়টি একটি ভোটকেন্দ্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারের পাশেই স্থানীয় মতিন মাস্টারের নেপিয়ার ঘাসের খেত। এদিন বেলা ১২টার দিকে স্থানীয় রাজমিস্ত্রি ফরিদ খান সেখানে গিয়ে মুখ বাঁধা দুটি ব্যাগ দেখতে পান। পরে প্রশাসনকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত হন।

এ সময় দুটি ব্যাগ থেকে লাল টেপ পেঁচানো ১০টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেন তারা।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বানিয়াকান্দি বাজার সড়কের ওপর কয়েকটি বালতিতে বোমাসদৃশ বস্তুগুলো রাখা হয়েছে। সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অর্ধশতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন

রাজমিস্ত্রি ফরিদ খান বলেন, ‘বুধবার দুপুরে মতিন মাস্টারের নেপিয়ার ঘাসের ভেতরে মুখ বাঁধা একটি ব্যাগ দেখতে পাই। ভয় পেয়ে স্থানীয়দের জানাই। পরে আরও একটি ব্যাগ দেখা গেলে প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।’

স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কে এম আর শাহিন জানান, ভোটে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য দুর্বৃত্তরা এমন অপকর্ম করেছে। এতে এলাকাবাসী ও ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ সময় তিনি নিরাপত্তা আরও জোরদারের দাবিও জানায়।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে বানিয়াকান্দি ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে দুটি ব্যাগে থাকা ১০টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ভোটের আগের দিন কেন্দ্রের মাত্র ২০ গজ দূর থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা নিরাপত্তা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad