কানাডার চার বৃহত্তম বিমানবন্দরকে দীর্ঘমেয়াদি কনসেশন মডেলের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে ফেডারেল সরকার। বিমানবন্দরগুলো হলো–টরন্টো পিয়ারসন, মন্ট্রিয়ল-ট্রুডো, ভ্যাঙ্কুভার ও ক্যালগেরি বিমানবন্দর। তবে এই চার বিমানবন্দরের জমি ও মূল সম্পদের মালিকানা সরকারের কাছেই থাকবে।
এদিকে, এই উদ্যোগের পর যাত্রীদের বিমানভাড়া বা বিমানবন্দর-সংক্রান্ত ফি বাড়বে না–এমন নিশ্চয়তা দিতে পারেননি পরিবহনমন্ত্রী স্টিভেন ম্যাককিনন। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যাত্রীদের ওপর কোনো ‘অযৌক্তিক’ খরচ বৃদ্ধি ঠেকাতে ব্যবস্থা থাকবে। বিমানবন্দরের ভাড়া ও ফি আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে বড় বিমানবন্দরগুলোতে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন করা এবং একই সঙ্গে ছোট ও আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলোতে সরকারি সহায়তা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। সরকারের মতে, এর ফলে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।
আরও পড়ুন: এয়ার কানাডার যুক্তরাষ্ট্রগামী আটটি ফ্লাইটে পরিবর্তন
তবে বেসরকারি পরিচালনার ফলে ভবিষ্যতে যাত্রীদের খরচ কতটা পরিবর্তিত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিমানবন্দর ও এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন সংগঠনও নতুন বিনিয়োগ মডেলে ক্রয় ক্ষমতা, সংযুক্ততা এবং যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত খরচের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে।


