মাহদী হাসানকে অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তার: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

মাহদী হাসানকে অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তার: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান | ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

থানায় বসে ওসিকে হুমকি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থানায় আগুন দিয়ে একজন এসআইকে পুড়িয়ে হত্যার স্বীকারোক্তি দেওয়া মাহদী হাসানকে অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মনে করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

তাকে এক ঘণ্টার মধ্যে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি না দেওয়া হলে সারাদেশে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
শনিবার রাতে সংগঠনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলা হয়েছে।

এর আগে সন্ধ্যায় মাহদীকে গ্রেপ্তার করে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ।

বিষয়টি সম্পর্কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পেজে লেখা হয়, ‘হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ইয়াসমিন খাতুন আনুষ্ঠানিকভাবে ওসিকে হুমকি দেওয়া এবং নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাসহ নানা অস্পষ্ট ও অযৌক্তিক কারণ দেখিয়ে মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করেছেন।’

‘জুলাই যোদ্ধা মাহদী হাসানকে অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তারের দায়ে হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার এবং শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।’

আরও পড়ুন

পুলিশের হাতে আটক এক যুবককে ছাড়িয়ে আনতে শুক্রবার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান মাহদী। সেখানে ওসির সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। ওই কথোপকোথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মাহদীকে শোকজও করা হয়। তবে এরপরেও সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তার গ্রেপ্তার অযৌক্তিক। আর এজন্য হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান মাহদী। কথার এক পর্যায়ে নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা দাবি করে ওসিকে বলেন, ‘আমরা আন্দোলন করে গভর্নমেন্ট রিফর্ম করেছি। সেই জায়গায় প্রশাসন আমাদের লোক। আপনি আমাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আমাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা করছেন।’

‘এখন বলছেন আন্দোলনকারী হয়েছেন তো কী হয়েছে? আমাদের এইখানে ১৭ জন শহীদ হয়েছে। আমরা বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম। আপনি এসেছেন ঠিক আছে, কিন্তু কোন সাহসে এই কথা বললেন জানতে চাই।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad