ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ২০ তলা বিশিষ্ট ‘স্বাধীনতা ভবন’ শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার সকালে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর মহসিন হলের একদল শিক্ষার্থী ভবনটি ঘেরাও করে এ দাবি জানান।
তাদের অভিযোগ, আবাসিক হলগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তাদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
মহসিন হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের জীবন বাঁচাতে পাঁচ তলা থেকে লাফ দিতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা বারবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেই।’

এ সময় ‘রানা প্লাজার মতো বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি শুধু শোক জানিয়ে দায় এড়িয়ে যাবে?’ এমন প্রশ্ন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ৩০ মিনিটের আল্টিমেটাম দেন। আরেকজন আন্দোলনকারী বলেন, ‘ভিসি স্যার যদি ৩০ মিনিটের মধ্যে এসে স্বাধীনতা ভবন আমাদের বরাদ্দ না দেন, তাহলে আমরা নিজেদের দায়িত্বে ভবনের প্রত্যেকটি রুমে উঠে যাব।’
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভবনের একজন বাসিন্দা টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিল্ডিংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ কক্ষ কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, আমরাও সেখানে উঠে গেছি। ভূমিকম্পের পর স্বাভাবিকভাবে সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।’
শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক দাবি করে তিনি বলেন, ‘এসব দেখার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরই।’


