শাহবাগে দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ

শাহবাগে দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ
শাহবাগে দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিচার্জ। সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রেখেছিলেন একদল ব্যক্তি। টানা ৩২ ঘণ্টা অবরোধের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় আরেক দল ব্যক্তি নিজেদের ‘প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করে ওই অবরোধকারীদের ওপর হামলা করেন। তারা শাহবাগ মোড়ের চারপাশে রাখা ব্যারিকেড (প্রতিবন্ধকতা) সরিয়ে দেন।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। তখন পুলিশ এসে দুই পক্ষকে লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর শাহবাগ মোড় দিয়ে পুরোদমে যান চলাচল শুরু হয়েছে।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করে একদল লোক বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রেখেছিলেন। তাদের দফায় দফায় বুঝিয়েও সড়ক থেকে সরানো যায়নি।

পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় জুলাই যোদ্ধা দাবি করে অন্য একটি দল শাহবাগে আসে। দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ও বিশৃঙ্খলা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ দুই পক্ষকেই সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এরপর শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আরও পড়ুন

জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের (আহত) ব্যানারে সকালে শাহবাগ মোড় অবরোধ করা হয়। এতে ঢাকার ব্যস্ততম এই মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সারাদিনের পর রাতেও সেখানে অবস্থান নিয়ে অবরোধ চালিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার সকালে বৃষ্টির মধ্যেও একদল আন্দোলনকারীকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখতে দেখা যায়।

শুক্রবার অবশ্য সকালে আন্দোলনকারীরা কম থাকায় ফার্মগেট–বাংলামোটর হয়ে যাওয়া গাড়িগুলো শাহবাগ মোড় দিয়ে মৎস্য ভবনের দিকে যেতে পারছিল। আবার কাঁটাবন থেকে আসা গাড়িগুলো বাংলামোটরমুখী সড়কে আসতে পারলেও মৎস্য ভবনের দিকে যেতে পারছিল না। শাহবাগ মোড় হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কাঁটাবন অভিমুখী সড়কেও যান চলাচল বন্ধ ছিল।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad