বৃহস্পতিবার খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে নতুন সাজে সেজেছে খুলনা। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্যপট থেকে শুরু করে দেওয়ালচিত্রে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে এই এলাকার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শহরের দেওয়ালে দেওয়ালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, জাতীয় কবিসহ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের প্রতিকৃতির পাশাপাশি স্থান পেয়েছে জুলাই গ্রাফিতি। কোনো ধরনের তোরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন ছাড়াই একটি পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে রূপ পেয়েছে খুলনা সিটি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর খুলনায় এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিতীয় সফর। নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জেলা স্টেডিয়াম থেকে ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছে জেলার ৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪ হাজার ৩৩ জন শিক্ষার্থী। উদ্বোধনী কার্যক্রমটি অনলাইনে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় সম্প্রচার করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বুধবার সকালেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বের করা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক প্রত্যাশা। জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা গড়ার অঙ্গীকার করে বলেন, খুলনার সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক। এ অঞ্চলের বন্ধ হয়ে থাকা মিল-কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করে খুলনার শিল্প ও উৎপাদনের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।
অন্যদিকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। তারা আশাবাদী, এই অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন ভাবনায় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন।


