টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সাজাপ্রাপ্ত রশিদ মিয়া। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় রশিদ মিয়া (৫৫) নামের একজন কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুল মজিদ এ রায় দেন। এ ছাড়াও আসামীকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রশিদ মিয়া জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায়ে আরো উল্লেখ করেন, আসামির কাছ থেকে অর্থদন্ড আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে আসামি যে সম্পদের মালিক হবেন সেই সম্পদ থেকে অর্থদন্ড আদায় করা হবে।
টাঙ্গাইলের ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরকে দন্ডিত আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পতি নিলামে বিক্রি করে অর্থদন্ডের সমপরিমান অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

রায়ে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আরো বলেন, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশু পিতা ধর্ষক রশিদ মিয়ার উত্তরাধিকার এবং শিশুর ভরনপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র গ্রহন করবে। শিশুর শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভরনপোষণ বাবদ মাসিক প্রদেয় অর্থের পরিমান নির্ধারন করে ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করতে হবে।

টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিপি খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান জানান, ২০২৪ সালে ১৪ এপ্রিল ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকার জন্য পুকুর পাড়ে যায়। এ সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে দাদা রশিদ মিয়া তাকে বলে শিশুটির দাদি তার বাড়িতে গেছে। সে শিশুটিকে সাথে নিয়ে নিজ বাড়িতে যায় এবং ধর্ষণ করে।

এ ঘটনা কাউকে জানালে শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ভুক্তভোগী শিশু তার মার কাছে ধর্ষণের কথা বলে।

২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর শিশুটি তার বাবার বাড়িতে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী শিশু বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করে। আসামি রশীদ মিয়ার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে তিনি কন্যা সন্তানের পিতা বলে প্রমাণিত হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর