ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ২ সার্ভিস সেতু উন্মুক্ত

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ২ সার্ভিস সেতু উন্মুক্ত
আশুলিয়ার ধউরে দুটি দুই লেনের সার্ভিস সেতুর উন্মোচন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩ দশমিক ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি দুই লেনের সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোনো ধরনের টোল দেওয়া ছাড়াই বিনামূল্যে এই সার্ভিস লেন ব্যবহার করে তুরাগ নদী পার হতে পারবে সাধারণ পরিবহন।

বুধবার দুপুরে আশুলিয়ার ধউর এলাকায় ফিতা কেটে বহুল কাঙ্ক্ষিত এই উড়ালসড়কের আংশিক উন্মোচন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। উদ্বোধনের পরপরই সেতু দুটি সাধারণ পরিবহনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ চালু হলো। বর্তমান সরকারের গতিশীল পদক্ষেপে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী বছরের মধ্যে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পুরো এক্সপ্রেসওয়ের কাজ সম্পন্ন হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএমসির প্রেসিডেন্ট কিউ আই ইয়ি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ।

আরও পড়ুন

সংসদ সদস্যরা উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে এই সার্ভিস সেতু খুলে দেওয়াকে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, তুরাগ নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ উন্মুক্ত ও অবাদ রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান পুরনো সড়কটি অপসারণ করা হয়েছে। তার বদলে নবনির্মিত দুই লেনের এই সার্ভিস সেতু চালু করায় স্থানিয় যাত্রী ও পরিবহন চালকদের দীর্ঘদিনের যানজট ও দুর্ভোগ লাঘব হবে।

ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এই প্রবেশদ্বারের যানজট নিরসন এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত সংযোগ নিশ্চিত করতে ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৭২ শতাংশ।

দ্বিতীয় সংশোধনীতে মেগা প্রকল্পটির মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। নতুন সংশোধিত নকশায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ সড়ক এবং বাইপাইলে তিন তলাবিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ‘ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর