দেশে হাম সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত একজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
নিশ্চিত হামে মারা যাওয়া শিশুটি রাজশাহী বিভাগের। উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেটের। সুনামগঞ্জ, ঢাকা ও বরিশালে মারা গেছে একজন করে শিশু।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৩৯ হাজার ১২৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। হাম নিশ্চিত হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৯ জনের। এ সময়ে নিশ্চিত হামে ৯৯ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছেন ৯৪১ জন। হাম নিশ্চিত হয়েছে ৮৪ জনের। বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭৯ জন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪৭ জন শিশু।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৩ জন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ জন।
আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। সেখানে ৬১ হাজার ২৬৩ জন শনাক্ত হয়েছেন। নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৬২ জন।
চট্টগ্রামে শনাক্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ১২৬ জন। সেখানে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। বরিশালে ১৯ জন, রাজশাহী ও সিলেটে তিনজন করে এবং ময়মনসিংহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা ও রংপুরে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর ঘটনা নেই।
এদিকে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ পর্যন্ত টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৩ জন। টিকাদানের হার ১০৬ দশমিক ৯ শতাংশ।
চট্টগ্রামে টিকাদানের হার সর্বোচ্চ ১১০ দশমিক ৪ শতাংশ। দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা পেয়েছে ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৮ শিশু। টিকাদানের হার ১০৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে গাজীপুরে টিকাদানের হার সর্বোচ্চ ১১৩ দশমিক ৮ শতাংশ। এরপর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এ হার ১১২ দশমিক ২ শতাংশ।


