রাজধানী ঢাকার ডেমরায় আলাদা দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও নাজমুল হোসেন (১৯)।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ডেমরা সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে এবং বুধবার রাত ১১টার দিকে কোনাপাড়া বাঁশেরপুল এলাকায় এই দুই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদ্দাম হোসেন কাকরাইলে এসএসবি গ্লোবাল ওভারসিস নামে একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে মার্কেটিং বিভাগে চাকরি করতেন।
এজেন্সির মালিক মো. সজল হোসেন জানান, সাদ্দাম থাকেন নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ উপজেলার রুপসী নিজ বাড়িতে। তার বাবার নাম আব্দুল লতিফ। তিনি প্রতিদিন বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে আসা-যাওয়ার মাধ্যমে অফিস করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে অফিসে আসছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।
ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কাকন মিয়া জানান, সকাল ১০টার দিকে ওই যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে আসার সময় ডেমরা সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশের রাস্তায় পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় আহত হন। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, পিকআপ ভ্যানটির চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে গেছে। তবে গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
অপরদিকে, নিহত নাজমুলের নানা এমএ বারী জানান, তাদের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামে। বর্তমানে ডেমরা কেনাপাড়া এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন নাজমুল। তার বাবার নাম দেলোয়ার হোসেন। বাবার সঙ্গেই গাড়ির যন্ত্রপাতি ব্যবসা দেখাশুনা করতেন তিনি। বুধবার রাতে বন্ধু ইমনের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। তখন দুর্ঘটনার শিকার হন।
ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল হাওলাদার জানান, রাতে নাজমুল তার বন্ধু ইমনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন। মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন ইমন। বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল রাস্তায় স্লিপ করে পড়ে গিয়ে দুজনই আহত হন। খবর পেয়ে তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বন্ধু ইমন সামান্য আহত হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়ছে।


