সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যদি সত্যিই সাহসী হন, তবে দেশে ফিরে ২০২৪ সালের জুলাই হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়া উচিত।
সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ঘোষণার প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ভারতের নয়াদিল্লিতে পলাতক শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। এটি রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। তার যদি সত্যিই সাহস থাকে, তাহলে দেশে এসে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার মোকাবিলা করুক।
ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত ১০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। বর্তমানে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে মামলাগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এসব মামলার আসামির তালিকায় সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান, আমির হোসেন আমু, বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, কামাল আহমেদ মজুমদারসহ অনেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নাম রয়েছে।
সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা এ বছরই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান। ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড নিয়ে তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।


