ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির জানাজাকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে এক হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরাসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করেছে ডিএমপি।
এ ছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনসহ ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি ও অতিরিক্ত আইন শৃঙ্খলাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ওসমান হাদির ময়নাতদন্ত করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আনার পর তার মরদেহ শের-ই-বাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের মর্গে রাখা হয়েছিল।

পরিবার ও ইনকিলাব মঞ্চ সূত্র জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ২টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
তারপর তার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে। পরিবারের অনুরোধ এবং সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের চিঠির প্রেক্ষিতে হাদির মরদেহ জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ।
গত ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিয়ে ফেরার পথে ঢাকার বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। পাশের একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে অটোরিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সেখানেই মারা যান ওসমান হাদি।


