ইন্দো-মালয়েশিয়ান মডেল হজ ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশে চালু করা গেলে দেশের মানুষ কম খরচে হজ করতে পারবেন বলে মনে করেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তবে এই মডেল প্রয়োগের আগে পরীক্ষা-নিরাীক্ষা করে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে ‘সহজ ফাইন্যান্সিং ও সাশ্রয়ী হজ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ হজ একাডেমি এ সেমিনারের আয়োজন করে।
আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ‘ইন্দো- মালয়েশিয়া মডেল হজ ব্যবস্থাপনায় নতুনত্ব আনতে পারে। এ পদ্ধতিতে জনগণ ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে হজে যেতে পারেন। এভাবে সঞ্চয়ের মাধ্যমে হজের খরচ নির্বাহের পদ্ধতি চালু থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষও হজ করতে পারেন।’
‘এ দুদেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হজযাত্রী হজ সঞ্চয় স্কিমে সম্পৃক্ত থাকায় তাদের জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। এটি দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে।’
বাংলাদেশে এ মডেল চালু করা গেলে তা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংকগুলোর সেন্ট্রাল শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার।


