ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও বৈষম্য বিলোপ আইনসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের সদস্যরা।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংগঠনটি আয়োজিত ‘অভ্যুত্থান পরবর্তী এক বছরে ৮ শতাংশ জনগোষ্ঠীর অবস্থা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের উত্তরাঞ্চল সংগঠক তরুন রয় বলেন, ‘গত বছরের ১৩ আগস্ট সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের সাধারণ শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আলোচনা হয়। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, তারা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণসহ দাবিগুলো যথাযথ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু সরকারের দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি।’
সংগঠনের সদস্যরা অভিযোগ করেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনসহ কোনো কমিশনে দেখা যায়নি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। সংখ্যালঘু ৮ শতাংশ জনগোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধি ছাড়া ঐকমত্য গঠন হয় না।
তরুন রয় আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৮ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রাজপথে নামলেও ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংস নির্যাতন শুরু হয়েছে, যা এখনো চলমান।’
এ সময় দাবি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার জন্য ২২ আগস্ট সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের পক্ষ থেকে ‘জাতীয় সংখ্যালঘু সম্মেলন-২০২৫’ আয়োজনের কথাও জানান সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ও মুখ্য সমন্বয়ক সুস্মিতা কর, প্রচার সম্পাদক কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সুব্রত বল্লভ, আদিবাসী সংগঠক সুমন ত্রিপুরা প্রমুখ।


