কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে সারা দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোতে এখনও প্রায় ৯ লাখ আসন ফাঁকা রয়েছে। আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে স্কুলগুলোতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এবার লটারি প্রক্রিয়ায় মোট ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৫১৩ আসনের বিপরীতে স্কুলগুলোতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৪৯৯ শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে স্কুলগুলোতে ৮ লাখ ৮৯ হাজার ১৪টি আসন ফাঁকা আছে।
এ বছর দেশের সরকারি স্কুলগুলোতে ১ লাখ ২১ হাজার ৫৯৬ আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া বেসরকারি স্কুলগুলোতে ১০ লাখ ৭২ হাজার ৯১৭ আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৮ শিক্ষার্থী।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর যেসব স্কুলে আসন ফাঁকা থাকে, সেসব আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর নীতিমালা আছে। এজন্য অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে স্থানীয়ভাবে লটারি করে প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে।’
নীতিমালা অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের জন্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকতে হয়।
স্থানীয়ভাবে ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে আগের ওয়েটিং লিস্টকে (অপেক্ষমান তালিকা) অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।


