পোষ্য কোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ৭ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
বুধবার সকালে তৃতীয় দিনের মতো কর্মসূচি শুরু করার পর দুপুরের দিকে এ ঘোষণা দেন তারা।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর পোষ্য কোটাকে কেন্দ্র করে উপউপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ও জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদারকে অবরুদ্ধ করে রাখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
হাতাহাতির একপর্যায়ে উপউপাচার্য, উপরেজিস্ট্রারসহ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন। এই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
১৩ সেপ্টেম্বরের হাতাহাতির ঘটনার পরদিন রাত ১টার দিকে আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পোষ্যকোটায় ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ ঘোষণা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানিয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউনের’ ঘোষণা দেয় অফিসার্স সমিতি
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পিছিয়ে দেওয়া হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন। ২৫ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে আগামী ১৬ অক্টোবর রাকসু নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


