রাড্ডা ক্লিনিক: ১০ কোটির চুক্তিতে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি দখল

রাড্ডা ক্লিনিক: ১০ কোটির চুক্তিতে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি দখল
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

প্রায় পাঁচ দশক ধরে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার নিম্নআয়ের হাজারো পরিবারের স্বাস্থ্যসেবার ভরসা। প্রতিষ্ঠানটি মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, শিশুদের টিকাদান ও প্রজননস্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে।

কিন্তু বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চালানো হামলায় প্রতিষ্ঠানটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তিটি দখল নিয়ে বিরোধ আরও জটিল হয়েছে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ নিতে ১০ কোটি টাকার একটি চুক্তি হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞের আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ও পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরে ঘটনাস্থলে সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে কয়েকটি সাইনবোর্ড লাগানো হয়।

সম্পত্তির মালিকানা দাবি করা সমবায় সমিতিটির সভাপতি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। তিনি ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সমিতিটির সভাপতি ছিলেন। ২০০৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সমিতির প্যাডে জমি বরাদ্দ চেয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন তিনি। নথিপত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

পরে কয়েকজন অভিযোগ করেন, তিনি এই দখল প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিষ্টি।

মিরপুরের ১০ কাঠার এই সম্পত্তির বর্তমান মূল্য স্থানীয়দের হিসাবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজনের অভিযোগ, সমবায় সমিতি জমিতে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫০ সদস্যের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা করে নেয়। এতে ৩০ কোটি টাকার তহবিল গড়ে ওঠে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে অস্ত্রসহ স্থানীয় ২০০ জনের বেশি মুখোশধারী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির চত্বরে প্রবেশ করে বলে কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তারা দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পুরো প্রতিষ্ঠানটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি স্থায়ী ভবন ও তিনটি আধাপাকা স্থাপনাও ছিল।

শুক্রবার শাহ আলী থানায় মামলা করা হয়। শনিবার পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে ঘটনায় কথিত মূলহোতা হানিফ মিয়াকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।

মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার অব পুলিশ নাসের রিকাবদার টাইমসকে বলেন, হানিফসহ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ সদস্যদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, তদন্তে রাজনৈতিক নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম উঠে এলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে রাড্ডার ওপর নির্ভরশীল রোগীদের কাছে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ হলো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ হয়ে যাওয়া।

শনিবারও রোগীরা টিকা ও চিকিৎসাসেবা নিতে কেন্দ্রে আসেন। সেখানে এসে তারা ক্ষতিগ্রস্ত ও অকার্যকর প্রতিষ্ঠান দেখতে পান।

স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, রাড্ডার সেবাগ্রহীতাদের বড় অংশ নারী, শিশু ও নিম্নআয়ের পরিবার। এসব পরিবারের অনেকের বেসরকারি চিকিৎসার খরচ বহনের সামর্থ্য নেই।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী গ্যাব্রিয়েল বলেন, ‘অনেক মানুষ প্রতিদিন টিকা ও চিকিৎসা নিতে এখানে আসতেন। এখানে অনেক পরীক্ষা করা হতো। সব মেশিন লুট হয়ে গেছে।’

টিকাদানকর্মী কোহিনুর বেগম বলেন, সরকারি ছুটির দিন ছাড়া সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলত। নারীদের জন্যও এখানে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হতো।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলে। শনিবারও এখানে শতাধিক শিশু হাম রোগের টিকা পেয়েছে।’

রাড্ডার নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার বলেন, ১৯৭৬ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জমি বরাদ্দ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি সেখানে কার্যক্রম শুরু করে। তিনি বলেন, কখনো কাউকে প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়নি। কোনো নোটিশও দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবারের হামলায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ২০০৯ সালেও অপরাধীরা জায়গাটি দখলের চেষ্টা করেছিল। তবে স্থানীয়রা সেই উদ্যোগ প্রতিহত করেন।

আরও পড়ুন

এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক বা আইনি সমাধান ছাড়াই দীর্ঘদিনের একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র কীভাবে বিরোধের কেন্দ্রে পরিণত হলো।

রাড্ডার কর্মকর্তারা জানান, সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার পর প্রায় পাঁচ দশক ধরে তারা জমিটিতে কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। অন্যদিকে সমবায় সমিতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা দাবি করেন, তারা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমির বরাদ্দ ও নিবন্ধন পেয়েছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, সরকারি জমির মালিকানা বা বরাদ্দ নিয়ে বিরোধ সাধারণত প্রশাসনিক ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হয়। শক্তি প্রয়োগ করে এর সমাধান করা হয় না।

ডেপুটি ক্লিনিক ইনচার্জ নূর মোহাম্মদ বলেন, হামলাকারীরা পেছনের দেয়াল টপকে মধ্যরাতে চত্বরে প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, ‘তারা তিনটি ট্রাকে মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। সামনের দিক থেকে একটি এক্সকাভেটর এনে একতলা ভবন ও টিনের স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়। তারা যন্ত্রটি দিয়ে আমগাছটিও কেটে ফেলে।’

কেন্দ্রটিতে ২৩ জন কর্মী ও তিনজন চিকিৎসক কাজ করেন। প্রায় কয়েক দশক ধরে মিরপুর ও আশপাশের সাভার এলাকার নারী ও শিশুরা এখান থেকে সেবা পেয়ে আসছেন।

ডিরেক্টর (কমিউনিটি হেলথ) ইকবাল জিল্লুর মজিদ বলেন, ‘কোনো আদালতের আদেশ থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দিনের বেলায় কার্যক্রম চালাতেন। আগে নোটিশ দেওয়া হতো। কিন্তু এখানে যা ঘটেছে, তা ভয়াবহ ভাঙচুর।’

ডিরেক্টর (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফাইন্যান্স) আহসান হাবিব টাইমসকে অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সময় পুলিশকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা হামলা বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়।

তিনি বলেন, ‘শাহ আলী থানায় লোক পাঠানো হয়েছিল। একবার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে কথা বলে। হামলাকারীরা সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে একটি কাগজ দেখালে পুলিশ চলে যায়। দুই ঘণ্টা ধরে লুটপাট ও ভাঙচুর চলেছে। শুক্রবার সকালে পুলিশ যখন আসে, তখন সব শেষ।’

মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের এক দোকানদার জানান, স্থানীয়দের কাছে হানিফ মিয়া এই ঘটনার অন্যতম মূল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ছিলেন বলেও জানান ওই দোকানদার।

হানিফ মিয়া সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ভগ্নিপতি। মিষ্টি সাবেক ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার সৈয়দুর রহমান নিউটনের স্ত্রী এবং সাবেক সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর বোন। নিউটনের মামাতো ভাই হানিফ মিয়া।

২০০২ সালের ১০ মে মিরপুর রোডে গুলিতে নিউটন নিহত হওয়ার পর মিষ্টি ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন। পরে তিনি বর্তমান সংসদে বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হন।

টাইমসের হাতে থাকা নথিতে সমবায় সমিতির সঙ্গে মিষ্টির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। টাইমসের সঙ্গে কথা বলার সময় মিষ্টি বলেন, ওয়ার্ড কমিশনার থাকাকালে তিনি সমিতির সভাপতি ছিলেন। ওই সময় জমি বরাদ্দের জন্য আবেদনও করেছিলেন।

তবে রাড্ডায় ভাঙচুর, দখল ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। পুলিশকে কোনো নির্দেশ দেওয়ার কথাও অস্বীকার করেন।

মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট ও মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্সের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, রাড্ডা জমিটির জন্য সরকারি বরাদ্দ পেয়েছিল। তবে হানিফ ও বিএনপি কর্মী শাহ আলমের পক্ষ দাবি করেছে, তারা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমির বরাদ্দ ও নিবন্ধন পেয়েছে।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা ও কর্মী অভিযোগ করেন, প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তিটি দখলে নিতে সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততায় ১০ কোটি টাকার একটি চুক্তি হয়েছিল। রাতে সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহার করে দখল কার্যক্রম চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয় বিএনপির এক কর্মী বলেন, ‘সমিতি যদি বৈধ মালিক হতো, তাহলে তারা প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে দিনের বেলায় আসত। তাদের কর্মকাণ্ড দেখায়, তারা অবৈধভাবে কাজ করেছে।’

ঘটনাটি নিয়ে বিএনপির ভেতর থেকেও সমালোচনা হয়েছে। দলের কয়েকজন নেতা বলেন, এসব অভিযোগে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।

বৃহত্তর মিরপুর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মশু টাইমসকে বলেন, পাকিস্তান আমলে জায়গাটি বিহারিদের জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পর এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ১৯৭৬ সালে রাড্ডা জায়গাটি বরাদ্দ পায় এবং কার্যক্রম শুরু করে। তারা পুরোনো একতলা ভবনের পাশে টিনের স্থাপনা তৈরি করে।’

কয়েকজনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মশু বলেন, ‘সমবায় সমিতি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫০ জনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা করে নিয়েছে। ৩০ কোটি টাকার তহবিল গঠনের পর আদালতের কার্যক্রমে কিছু টাকা খরচ করে জমিটি নিয়ন্ত্রণে নিতে ১০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।’

ধ্বংসযজ্ঞের সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব সাজ্জাদুল মিরাজ বলেন, ‘জানানো হলেও পুলিশ আসেনি। এক ঘণ্টা পর তারা এসে চলে যায়।’

তিনি ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।

স্থানীয় যুবদলের এক নেতা অভিযোগ করেন, বিএনপির হানিফ মিয়া ও শাহ আলম ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘তারা সবাইকে ম্যানেজ করে ১০ কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে এই কাজ করেছে।’

শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শনিবার বিকালে টাইমসকে বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৪ সালে মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা দিতে কার্যক্রম শুরু করে। সুইডিশ সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিষ্ঠান রাড্ডা বার্নেনের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রজননস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, শিশুদের টিকাদান, শিশুস্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির তিনটি স্থায়ী ক্লিনিকে রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্যাথলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও হেমাটোলজিসহ বিভিন্ন রোগ নির্ণয় সেবাও দেওয়া হয়।

প্রধান কেন্দ্রটি মিরপুর-১০-এ অবস্থিত হলেও এর সেবা মিরপুর-১, বাউনিয়া বস্তি, উত্তরা, ভাসানটেক বস্তি ও পুরান ঢাকায় বিস্তৃত।

প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ডে কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রয়েছেন।

শিল্পপতি ও ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারজয়ী সমাজকর্মী তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন।

সাবেক আমলা আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, ব্যবসায়ী এএসএম কাশেম ও এ কে আজাদ এবং সাবেক সচিব আবদুল করিম বোর্ডের সদস্য।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা কাজী ফজলুর রহমান, বিশিষ্ট স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক টি এ চৌধুরী ও প্রকৌশলী অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীও বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শনিবার বিকালে সনি সিনেমা হলের পাশে বৈশাখী সুপার মার্কেটে অবস্থিত সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের কার্যালয়টি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

মার্কেটের অন্য দোকানিরা জানান, সংগঠনটি সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad