রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে।
রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলী আদালতে সালাহউদ্দিন আম্মার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের আজহারুল ইসলাম।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুরে রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় জিএসের কার্যালয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন অভিযুক্তরা।
এ সময় জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে প্রহার করা হয়। এতে বাধা দিতে গেলে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব ও মেহেদীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া কক্ষে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলেও আবেদনে দাবি জানানো হয়।
ঘটনা প্রসঙ্গে মামলার বাদী সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, তার সহকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে যাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা না তৈরি হয়, সে কারণেই মূলত সচেতনতার অংশ হিসেবে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহা. সালাহউদ্দিন জানান, ১০ আগস্ট আদালতে মামলার আবেদন করা হলে বিচারক বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।


