ইরান, ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে টানা ১৯তম দিনের মতো শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্য দিয়ে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা থামার নাম নেই কোনো।
বুধবারও ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরান অনেকগুলো ক্ষেপনাস্ত্র ছুড়েছে। ইরানেরও দাবি, তাদের প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালানো হয়েছে।
ইরান এর আগেই সতর্ক করেছিল যে, যদি তাদের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে তারা পুরো অঞ্চল জুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে, যেগুলোকে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করে।
![]()
ফলে রোজই সংঘাতে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। আহত হচ্ছেন বহু মানুষ। যাদের মধ্যে আবার বড় অংশই শিশু। সেইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শত শত স্থাপনা। গুঁড়িয়ে যাচ্ছে বাড়িঘর-সংসার।
আল জাজিরা এই সংঘাতে আহত-নিহতের সংখ্যা প্রকাশের জন্য একটি লাইভ ট্র্যাকার তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এই ট্র্যাকার অনুযায়ী, সংঘাত শুরু পর থেকে ইরানের নিহত হয়েছে ১ হাজার ৪৪৪ জন।
এই সময়ে লেবাননে প্রাণ হারিয়েছে ৯১২ জন, ইরাকে ৫৮ জন, কুয়েতে ছয়জন, বাহরাইনে দুইজন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটজন, সৌদি আরবে দুইজন এবং ওমানে তিনজন।
এছাড়া ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা ১৭ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর অন্তত ১৩ সদস্য নিহত হয়েছে।


