ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের করণীয় সম্পর্কে জানতে অর্থনীতিবিদদের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আটজন অর্থনীতিবিদের থেকে পরামর্শ নেন।
সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক আমদানি-রপ্তানির সমুদ্র পথ সীমিত হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড রেমিটেন্স ও কারখানা-যানবাহনের চাকা সচল রাখার উপকরণ জ্বালানি পরিবহনে এক ধরনের অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় পণ্য পরিবহনের জাহাজগুলো আটকা পড়েছে। যেই কারণে এই যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ওপরও পড়েছে।
পাশাপাশি বাংলাদেশের অধিকাংশ রেমিট্যান্স আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটিগুলো ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় এসব দেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সামনের দিনে এই যুদ্ধের প্রভার অর্থনীতির ওপর আরও কোন কোন দিক দিয়ে পড়তে পারে ও তা সমাধানের আগাম প্রস্তুতি কী হওয়া উচিত–এসব বিষয়ে পরামর্শ নিতে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে কথা বলেছেন গভর্নর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা টাইমসকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কিছু নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত আসবে শিগগিররই।
জানা গেছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে একটি ক্রাইসিস ম্যনেজমেন্ট টিম গঠনের পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই টিমের কাজ হবে উদ্ভুত পরিস্থিতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করা।


