বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামে নামতে পারেনি ৩ ফ্লাইট

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামে নামতে পারেনি ৩ ফ্লাইট
চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে ভারী বৃষ্টি। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

বৈরী আবহাওয়া ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামগামী তিনটি ফ্লাইটের চলাচলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এই তথ্য জানান।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বি-এআ-থ্রি-ফাইভ-জিরো (আবুধাবি-চট্টগ্রাম) ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে অবতরণ করতে না পেরে ডাইভার্ট হয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ ছাড়া এয়ার আরাবিয়ার জি-নাইন-ফাইভ-টু-সিক্স (শারজাহ-চট্টগ্রাম) ফ্লাইটটিও ডাইভার্ট হয়ে ঢাকায় অবতরণ করেছে।

অন্যদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-ওয়ান-টু-ওয়ান (ঢাকা-চট্টগ্রাম) ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে অবতরণ করতে না পেরে আবার ঢাকায় ফিরে যায়।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে নিরাপদে অবতরণ সম্ভব না হওয়ায় তিনটি ফ্লাইটের চলাচলে পরিবর্তন আনা হয়। আবহাওয়ার উন্নতি সাপেক্ষে পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

আরও পড়ুন

বৈরী আবহাওয়াজনিত কারণে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে মঙ্গলবার এরাইভাল এবং ডিপার্চার হওয়া প্রায় সব ফ্লাইটই স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে নগরের আমবাগান আবহাওয়া কেন্দ্রে রেকর্ড হয়েছে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এই ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।

এর আগে, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত দুইদিন ধরে চট্টগ্রাম পতেঙ্গা এলাকায় চলা টানা বর্ষণের মধ্যে সোমবার দুপুরের পর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা ভারী বর্ষণ চলাকালীন বিমানবন্দর পার্কিং এলাকাসহ এর প্রবেশ পথের পানি ড্রেনেজ সিস্টেম হয়ে নেমে যেতে সময়ে লাগায় সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জলাবদ্ধতা নিরসনে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।

বিকালের পর পর বৃষ্টির মাত্রা কমে আসলে পানি দ্রুত নামা শুরু করায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে অদ্যাবধি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে যাত্রীসাধারণের দুর্ভোগ এড়াতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক এ নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad