‘বিপিএলে নিয়মের এই কড়াকড়িতে সবাই পজিটিভ’

‘বিপিএলে নিয়মের এই কড়াকড়িতে সবাই পজিটিভ’
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পেস বোলিংকোচ তারেক আজিজ (বাঁয়ে) ও প্রধান কোচ হান্নান সরকার। ছবি: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
Advertisement
Advertisement

চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) অ্যান্টি করাপশন ইউনিট বেশ আটঘাট বেধেই নেমেছে। যদিও নিয়মের অতিরিক্ত কড়াকড়িতে বিরক্তও হচ্ছে কেউ কেউ। শুক্রবার ঢাকা ক্যাপিটালস বেশ গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের বিরুদ্ধে। ম্যানেজারের অনুমতি ছাড়াই অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সদস্যরা ঢুকে গেছেন রহমানউল্লাহ গুরবাজের রুমে। ব্যাট করতে যাওয়ের আগে প্যাড পরা অবস্থায় সাইফ হাসানকেও করা হয়েছে জেরা।

যদিও এই কড়াকড়িকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স কোচ হান্নান সরকার। শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলনের পর সাবেক এই ক্রিকেটার জানান, সবকিছু যেন নিয়ম মাফিক হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা ক্যাপিটালস সিইও আতিক ফাহাদের ফোন আটক করেছে অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট। জানা গেছে সব মিলিয়ে বিপিএল সংশ্লিষ্ট মোট ২১ জনের মোবাইল আটক করা হয়েছে। মূলত এরপরই ঘটেছে গুরবাজ ও সাইফের ঘটনা। যদিও নিজের ফোন আটকের ব্যাপারে মন্তব্য না করলেও ক্রিকেটারদের এভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর, বিপিএল ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

সাম্প্রতিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কার্যক্রমকে বেশ ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বিপিএলের বিভিন্ন আসরে টিম ম্যানেজার হিসেবে কাজ করা হান্নান। বর্তমানে রাজশাহীর প্রধান কোচের দায়িত্বে থাকা সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘সত্যি বলতে এবার অনেক কড়াকড়ি রয়েছে,এটা বলতেই হবে। কারণ এর আগে আমি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছি, কোচ হিসেবে কাজ করেছি। অন্যবার যেভাবে ডিল করা হত এবার তার চেয়ে একটু ভিন্নভাবে সেটা ডিল করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন

এবারের বিপিএলে নিয়মের কড়াকড়ি নিয়ে হান্নান আরো বলেন, ‘কড়াকড়ি করার ব্যাপারে কিন্তু আমরা সবাই পজিটিভলি নিচ্ছি এবং আমার মনে হয় সেটা এপ্রিশিয়েট করা উচিত। বাট যেটাই ঘটবে, যেটাই ঘটানো হবে বা যেটাই দেখা হবে সেটা প্রসেসের মধ্যে থেকে নিয়মের মধ্যে থেকে করা জরুরী।’

বৃহস্পতিবার সাইফ হাসান প্যাড পরে ড্রেসিংরুমে তৈরি হচ্ছিলেন সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ব্যাট করতে নামার জন্য। কিন্তু এর আগেই সেখানে টিম ম্যানেজারের অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করেন অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সদস্যরা। এখানটায় আপত্তি জানিয়েছেন হান্নান নিজেও।

তিনি বলেন, ‘ এটা আমার কাছে একটু অদ্ভুত লেগেছে। নিশ্চিতভাবেই কারো রুমে সার্চ করা, কারো মোবাইল সার্চ করা, যেকোনোভাবে উনাদেরকে অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেসবের একটা নিয়ম রয়েছে। আমি যতটুকু জানি যে ম্যানেজারকে ইনফর্ম করে সেটা করতে হয়। যদি সেটা করে থাকে তাহলে সেটা নিয়ে আর সেকেন্ড কোনো কোশ্চেন আসা উচিত না।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর