‎ফরিদপুরে বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানোয় গণপিটুনি, ড্রাইভার নিহত

‎ফরিদপুরে বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানোয় গণপিটুনি, ড্রাইভার নিহত
বেপরোয়া ট্রাক চালানোয় গণপিটুনিতে ড্রাইভার নিহত হন। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

‎ফরিদপুরে বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানোর অভিযোগে গণপিটুনিতে ড্রাইভার নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন দুইজন।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের বিলনালিয়া নতুনহাটখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার রসুলপুর এলাকা থেকে একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট-১২৭৩৩২) গ্রামের সরু সড়কে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আসতে দেখে ট্রাকটির গতিরোধ করে সমানে দাঁড়ায় এলাকাবাসী।

এ সময় উত্তেজিত জনতা ট্রাকের ড্রাইভার ও হেলপারসহ তিনজনকে গণপিটুনি দিলে তারা গুরুতর আহত হন। ‎একই সঙ্গে ট্রাকটিতে ভাঙচুর চালায় ক্ষুব্ধ জনতা।

আরও পড়ুন

পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ এবং তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ট্রাকের ড্রাইভার হান্নান (৪৫) মারা যান। তার বাড়ি বোয়ালমারী উপজেলায় বলে জানা গেছে। আহত দুজন হলেন- হেলপার নাঈম (২২), বাড়ি সালথা উপজেলার সোনাখোলা এবং আল-আমিন (২৫), বাড়ি সালথা উপজেলার কাগদী। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
‎
‎স্থানীয়দের দাবি, ট্রাকটি রসুলপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পথচারীকে চাপা দিয়ে পালিয়ে আসছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাকের অস্বাভাবিক গতির কারণে প্রায় ২০ জন পথচারী আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিলনালিয়া নতুনহাটখোলা এলাকার মুন্সী স্টোরে সজোরে ধাক্কা দিয়ে ড্রাইভার ট্রাক নিয়ে পালিয়ে আসেন।
‎
‎তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগেই স্থানীয়রা ড্রাইভারসহ তিনজনকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে পুলিশ এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
‎
‎নগরকান্দা থানার ওসি রাসুল সামদানি আজাদ বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ট্রাকের ড্রাইভার রসুলপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে আসছিলেন।

তিনি আরও জানান, আহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad