কয়েকমাস বন্ধ থাকার পর পর্যটক ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার প্রথমদিনে মুখরিত হয়ে উঠেছে দেশের সবচেয়ে উঁচু পর্বতচূড়া বান্দরবানের কেওক্রাডং পর্যটন কেন্দ্র।
বুধবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪১ গ্রুপে কমপক্ষে ৫০০ জন পর্যটক কেওক্রাডং বেড়াতে যান বলে জানিয়েছেন রুমা পর্যটক গাইড অ্যাসোসিয়েশনের লাইনম্যান লাল রাওকুম বম।

তিনি জানান, একটি চাঁদের গাড়িতে ১৪ জন যাত্রীর জন্য একজন গাইড এবং প্রতি ছয়টি মোটরসাইকেলের জন্য একজন করে গাইড নিতে হয়। সকাল থেকে ৪১ জন গাইড বুকিং হয়েছে। বিকাল নাগাদ এই সংখ্যা ৫০ জনে দাঁড়াতে পারে।
ট্যুর গাইড আলমগীর হোসেন জানান, তার সিরিয়াল এখনও আসেনি। বিকালের মধ্যে যেকোন একটি গ্রুপ নিয়ে বগালেক বা কেওক্রাডং যেতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

সকাল ১০টার দিকে একটি পর্যটক গ্রুপ নিয়ে কেওক্রাডং চূড়ায় গিয়েছিলেন স্থানীয় গাইড সুফল বড়ুয়া। তিনি জানান, রুমা থেকে বগালেক হয়ে কেওক্রাডং পর্যটন কেন্দ্রে যেতে ৪০-৪৫ মিনিট সময় লাগে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে পর্যটকদের নিয়ে আবার রুমায় ফিরে এসেছেন। সেখানে থাকার জন্য কটেজ থাকলেও রুম খালি না থাকায় অনেকেই দিনে দিনে ফিরে আসতে চান বলেও জানান তিনি।
এর আগে, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। পরে ধাপে ধাপে কয়েকটি এলাকায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যটকদের জন্য রোয়াংছড়ির দেবতাখুমও খুলে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বান্দরবান জেলা প্রশাসন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য কেওক্রাডং ভ্রমণের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এতে রুমার পর্যটন শিল্প প্রাণ ফিরে পেয়েছে।


