জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় পুলিশের লাঠিপেটায় আহত অন্তত ১০ ‘জুলাই যোদ্ধা’ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শুক্রবার বেলা ২টার পর থেকে একে একে আহতদের হাসপাতালটিতে নেওয়া হয়।
আহতরা হলেন, সিনথিয়া মিম, শফিকুল ইসলাম, শফিউল্লাহ, হাবিব উল্লাহ, তানভিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, আতিকুল গাজী, রাকিব, লাইলি।
এদের মধ্যে আহত আতিকুল গাজী জানান, তার বাসা উত্তরা এলাকায়। শুক্রবার সই হতে যাওয়া জুলাই সনদের প্রতিবাদ জানাতে তারা মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে লাঠিপেটা করে। এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে আহত হন তারা।
আতিকুল গাজী বলেন, ‘যে জুলাই আমাদের মাধ্যমে এসেছে, সেই জুলাই সনদে যদি আমরাই না থাকি, তাহলে এই সনদ আমরা মানি না। আমি মনে করি, এই সরকার ব্যর্থ, জুলাই সনদটাও ব্যর্থ। দেড় বছরের সনদ করতে পারেনি, এখন করেছে তাও আবার আমাদের বাদ রেখে।’
জুলাই আন্দোলনে ডান হাতে গুলি লেগেছিল আতিকুলের। পরবর্তীতে পঙ্গু হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার হাতটি কেটে ফেলা হয়। পরবর্তীতে ব্র্যাক তাকে একটি কৃত্রিম হাত লাগিয়ে দেয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই হাত এখন আমি ব্যবহার করি। আজকে এই প্রতিবাদ জানাতে সংসদ ভবন এলাকাতে এসেছিলাম, তখন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনী আমাদেরকে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আক্রমণ চালায়। জুলাইয়ে যেই জায়গায় গুলি খেয়েছি, আজকে আবার সেই যায়গায় আঘাত করে তারা আমার কৃত্রিম হাতটা ভেঙে দিয়েছে।’
এছাড়া হাতে, পায়ে, পিঠে এলোপাতাড়ি লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ তার।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, ‘আহতদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।’


