পারিবারিক দ্বন্দ্বে দগ্ধ ইমনের মৃত্যু

পারিবারিক দ্বন্দ্বে দগ্ধ ইমনের মৃত্যু
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ফাইল ফটো
Advertisement
Advertisement

রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে দেয়া আগুনে দগ্ধ ইমন (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

রোববার বেলা ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সুলতান মাহমুদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সূত্রাপুর শ্যামবাজার চামাকটুলী এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে

দগ্ধরা হলেন, সিদ্দিক বেপারী (৬০), তার ছেলে মো. ইমন (২৬), ভাতিজা রাজিব (৩৮), ভাগিনা আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ও ভাগ্নি তানিয়া আক্তর (২০)।

আরও পড়ুন

দগ্ধ আরিফুর রহমার ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শ্যামবাজার চামাকটুলীতে তাদের (দগ্ধদের) পৈতৃক সম্পত্তি। তারা সবাই পাশাপাশি বাসায় থাকেন। ইমন সৌদি আরব প্রবাসী। রাজিব ন্যাশনাল হাসপাতালে মেকানিকের কাজ করেন। ধলু ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী আর তানিয়া পুরান ঢাকার উইমেন্স কলেজে অনার্সের শিক্ষার্থী।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে বাসার সামনে জমানো ময়লা পানি পরিষ্কার করাকে কেন্দ্র করে তানিয়ার কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। সুলতানা বিষয়টি সৌদি আরব প্রবাসী ভাই ইমনকে জানালে তিনি দ্রুত শুক্রবারই দেশে চলে আসেন। এর পর শনিবার বিকেলে ইমন ‘আমিও মরবো, তোদেরকেও মারবো’ বলে নিজের ও উপস্থিত স্বজনদের গায়ে পেট্রল ঢেলে দিয়ালাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তেই তাদের সবার শরীরে আগুন ধরে যায়।

ঘটনার পরপরই তাদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সুলতান মাহমুদ জানান, সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, আরিফের ৮ শতাংশ ও তানিয়ার ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad