জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। এর ফলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।
বুধবার বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।
অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের পর দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে।
মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ১১ মে জারি হয় ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এই অধ্যাদেশেই ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।
সেদিন জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
একই আইনে এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে।
উপদেষ্টা পরিষদ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটির কার্যালয় বন্ধ, ব্যাংক হিসাব জব্দ ছিল, পোস্টার-ব্যানার প্রচার বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, সেসব গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশেও ছিল মানা। সংবাদ সম্মেলনেও ছিল নিষেধাজ্ঞা।
অন্তর্বর্তী সরকারের যেসব অধ্যাদেশ বিএনপি সরকার পাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার একটি এটি। আর অধ্যাদেশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে শাস্তি কী হবে, তা উল্লেখ করা ছিল না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করলে সাজার বিধান নেই অধ্যাদেশে। সাজার বিধান যুক্ত করা যেতে পারে।’


