ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং রিটার্নিং অফিসারদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র গানম্যান নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।
শনিবার ইসি থেকে পুলিশ সদরদপ্তরে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের ঝুঁকি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্বাচনি অফিস, সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, মালামাল ও সরঞ্জামের নিরাপত্তারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সময়সূচি ঘোষণার পর লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিস ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় সারা দেশের মাঠপর্যায়ের সব নির্বাচন অফিসে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), অন্যান্য কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাও জোরদার করা হচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জন্য বিদ্যমান নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি গাড়িসহ পুলিশ এসকর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চারজন কমিশনার ও জ্যেষ্ঠ সচিবের বাসভবন ও অফিসের যাতায়াতসহ সার্বক্ষণিক গাড়িসহ পুলিশ নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পুলিশের মহাপরিদর্শককে দেওয়া চিঠিতে ইসি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার পর দুর্বৃত্তরা নির্দিষ্ট কিছু নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে । তাই সারা দেশে মাঠপর্যায়ের ইসির কার্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাযথ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করতে হবে।


