বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশীদারত্ব বাড়াতে বড় ধরনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে সরকার বেসরকারি বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট মোকাবিলায় স্থল ও সমুদ্র উভয় এলাকায় নতুন অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যেই আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। এর মাধ্যমে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ খাতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ ও ব্যাটারির ওপর শুল্ক অব্যাহতি এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত কর-ছুটির (ট্যাক্স হলিডে) সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হবে। সৌরবিদ্যুতের পাশাপাশি বায়ু ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়লেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গ্যাস ও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্ট্যান্ডবাই সক্ষমতা হিসেবে চালু রাখতে হবে। কারণ আবহাওয়া ও মৌসুমি পরিবর্তনের কারণে সৌরবিদ্যুৎ সবসময় সমানভাবে পাওয়া যায় না।


