বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও সংগঠনটির হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকালে বিমানবন্দরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশের কর্মকর্তারা। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এর আগে, দিল্লি বিমান বন্দরেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিমান বন্দর থেকে বের হয়ে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা স্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, বুধবার বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে ভারতের দিল্লি থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসেন মাহদী। এরপর ইমিগ্রেশনে পুলিশের কর্মকর্তারা তাকে জ্ঞিাসাবাদ করেন। পুলিশ হত্যার দায় স্বীকার, পুলিশের কাজে বাঁধাসহ নানা কারণে তিনি সমালোচিত।
বাংলাদেশে ফেরার আগে ফেসবুক লাইভে মাহদী বলেন, ‘আমি দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বলছি। আমার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা দেশে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানাব। এখানে আমাকে প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার দেশের দূতাবাসে কথা বলতে বলেছিলাম। এরপরও আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। পরে দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে আমাকে দেশে পাঠানো হচ্ছে।’তবে তিনি আসলে কী কারণে মেডিকেল ভিসা নিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি।
গত ১ জানুয়ারি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এনামুল হাসান নয়ন নামে এক তরুণকে আটক করা হলে তিনি সেখানে যান। এ সময় ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’, এমন বক্তব্য দিয়ে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে আন্দোলনের মুখে ২৪ ঘণ্টার আগেই তিনি জামিনে মুক্তি পান।


