জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)। পুরস্কারপ্রাপ্তরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন টাইমস অব বাংলাদেশের কাছে।
প্রান্তিক মানুষের স্বীকৃতি পাওয়া
খন্দকার সুমন, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক
সাঁতাও স্বীকৃতি পাওয়া মানে হচ্ছে হল প্রান্তিক মানুষেরা স্বীকৃতি পাওয়া। আমরা যেটা চাইছিলাম সেটা হচ্ছে হল প্রান্তিক মানুষের এই জীবনটা মানুষ যেন শহরের মানুষগুলো দেখে। আমরা ছবিতে তাদের জীবন তুলে এনেছি, যতটুকু পেরেছি। সরকার বা রাষ্ট্র এই স্বীকৃতি দিয়েছে মানে বাংলাদেশের অন্যান্য মানুষের মনোযোগে আকৃষ্ট করলো।
ভেবেছিলাম আমার সঙ্গে মজা হচ্ছে
আইনুন পুতুল, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী
আমার জাহাঙ্গীরনগরের বন্ধুরা প্রথমে ফোন করে আমাকে খবরটি জানায়। আমি ভেবেছিলাম তারা আমার সঙ্গে মজা করছে। পরে তারা আমাকে পত্রিকার খবরের লিংক পাঠায়। তখন আমার বিশ্বাস হয় খবরটি। আমি আমার পরিচালক, সহশিল্পী সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি রংপুরের ভাষা জানতাম না, এরপরও আমাকে যেভাবে তারা সহয়তা করেছেন, তা ভোলার নয়। গণ-অর্থায়নে নির্মিত ছবিটি সেরা ছবি এবং পরিচালক খন্দকার সুমন ভাইও পুরস্কৃত হচ্ছেন, আমি তাতে আমার নিজের চেয়ে বেশি খুশি হয়েছি।
উচ্ছ্বসিত নই
সোমেশ্বর অলি, শ্রেষ্ঠ গীতিকার
আমি যখন গল্পের জন্য যুগান্তর থেকে ২০০৪ সালে পুরস্কার পেলাম তখনও খুব একটা উচ্ছ্বসিত হইনি, এখনো না। ‘ঈশ্বর’ গানটা না পুরস্কৃত না হলেও খুবটা খারাপ লাগতো না। কারণ আসল পুরস্কার দর্শক-শ্রোতাদের ভালোবাসা অনেক আগেই পেয়ে গিয়েছি। তবে পুরস্কার প্রাপ্তির এ মুহূর্তে আমি বন্ধু গীতিকবি জাহিদ আকবরকে আমার পুরস্কারটি উৎসর্গ করতে চাই। কারণ, এবারের পুরস্কারে তার গানও প্রতিযোগীতা করেছে। কিন্তু সে প্রথম থেকে আমার গানটির প্রচারণা চালিয়েছে। এটা সত্যিই বিরল।
ভাবলাম, ঘুমের ঘোরেই আছি হয়তো!
অবন্তী সিঁধি, শ্রেষ্ঠ গায়িকা
টাইমলাইনে টাইপ করছি আর মুছে দিচ্ছি । লিখতে গিয়ে কেমন সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে । রোজকার দিনের মতো একটা দিন। হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে রবিউল ইসলাম জীবন ভাইয়ের একটা টেক্সট, সাথে অভিনন্দন। ছবিটা খুলে কিছুক্ষণ হা করে তাকিয়ে রইলাম। ভাবলাম, ঘুমের ঘোরেই আছি হয়তো! আবার দেখলাম, না সত্যিই আমার নাম! জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের প্রজ্ঞাপনে সেরা গায়িকা ক্যাটাগরিতে আমার নাম! চমকে গেলাম! আরেহ এ রকম তো স্বপ্ন দেখতাম, সত্যি হলো কি করে!


