যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যার শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মরদেহবাহী বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বৃষ্টির মরদেহ গ্রহণ করতে এরইমধ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছেছে তার পরিবারের সদস্যরা।
আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃষ্টির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে টাম্পার একটি মসজিদে নাহিদা বৃষ্টির প্রথম জানাজা হয়। এতে নাহিদা বৃষ্টির বন্ধু-বান্ধব, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।
পরদিন বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানো হয়।
নাহিদা বৃষ্টির সঙ্গে হত্যার শিকার আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে ঢাকায় পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে লিমনের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
জামিল লিমন ও নাহিদা সুলতানা নিখোঁজ হন গত ১৬ এপ্রিল। ১৭ এপ্রিল এক পারিবারিক বন্ধু তাদের নিখোঁজের খবর দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ।
আট দিন নিখোঁজ থাকার পর গত ২৪ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় লিমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে শুক্রবার ট্যাম্পা বে এলাকার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু থেকে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর দুই দিনের মাথায় ২৬ এপ্রিল ওই সেতুর কাছের একটি জায়গা থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ অফিস থেকে উদ্ধার করা মরদেহটি বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পরই সোয়াত টিম সন্দেহভাজন লিমনের রুমমেট, মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘারবিয়েহকে তার বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।


