গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলিগ-জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা শুরু হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে এ ইজতেমার সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।
শুক্রবার ফজরের পর আম বয়ানের মাধ্যমে ইজতেমা শুরু হয়।
তাবলিগ-জামাত বাংলাদেশের শুরায়ী নেজামের গণমাধ্যম সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে এই জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে তাবলীগের সাথিরা পুরো বছরের কাজের কারগুজারি পেশ করেন এবং মুরুব্বিদের থেকে দিকনির্দেশনা (রাহবারী) নেওয়ার সুযোগ পান।

জোড় ইজতেমায় কেবল তিন চিল্লার সাথি এবং কমপক্ষে এত চিল্লা সময় লাগানো আলেমরা অংশ নিতে পারেন। এতে করে জোড়ের স্বতন্ত্র মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় থাকে বলেও জানান তিনি।
টঙ্গী পশিচইম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুর অর রশিদ বলেন, পাঁচদিনের জোর ইজতেমা উপলক্ষে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। এরই মধ্যে ইজতেমা ময়দানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, ইজতেমা ময়দানে চাঁন মিয়া (৬০) ও মোহাম্মদ নুর আলম (৮০) নামে দুই মুসল্লি মারা গেছেন।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় চাঁন মিয়া স্ট্রোক করলে তাৎক্ষণিক তাকে ইজতেমা মাঠ সংলগ্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে, ভোরে নুর আলম ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যান।
মুসল্লি চাঁন মিয়া জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার বগারপাড় গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জের রঘুনাথপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। অপর মুসল্লি নুর আলম নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার আন্ডার চর কাজীর তালুক এলাকার বাসিন্দা।
তাবলিগ-জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, এবারের জোর ইজতেমার শুরুকেই দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচনের পরপরই বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।


