গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ, ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফলাফল বাতিল এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান সংস্কার অধ্যাদেশ ২০২৫) বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি হয়। মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশের দিন ঠিক করেছে আদালত।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করীম ও সৈয়দ মামুন মাহবুব। অপরপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ইমরান এ সিদ্দিক ও শিশির মনির।
পরে শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে প্রশ্ন তোলা আত্মাঘাতী পদক্ষেপ। এটা নির্বাচনসহ বিগত সরকারের সবকিছুকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এ অবস্থান থেকে সরে না এলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, জুলাই সনদ, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ প্রশ্নবিদ্ধ হলে গণভোট, নির্বাচন ও নির্বাচিত সংসদও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।’
এগুলো সংবিধানে না থাকলেও ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিশেষ অবস্থার ভিত্তিতে এগুলো এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘সংবিধানে তো অন্তবর্তী সরকার নেই, সরকার পালিয়ে যাওয়ার বিধানও নেই, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনও নেই। এগুলো হয়েছে বিশেষ অবস্থাকে মোকাবিলা করতে গিয়ে আইনগতভাবে পরামর্শ করে একেকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে সংঘটিত ঘটনা নিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।’


