জনগণের দাবি তুলে ধরা বিরোধীদলের দায়িত্ব: চট্টগ্রামে জামায়াত আমির

জনগণের দাবি তুলে ধরা বিরোধীদলের দায়িত্ব: চট্টগ্রামে জামায়াত আমির
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জামায়াত আমির। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা সরেজমিনে দেখতে চট্টগ্রাম সফর করছেন বিরোধীদলের নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে সকাল সাড়ে ৮টায় বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিরোধীদল বিষয়টি উত্থাপন করেছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট কাছ থেকে দেখা, তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সরকারের করণীয় বিষয়ে দাবি তুলে ধরতেই এই সফর।’

সাম্প্রতিক বন্যা, পাহাড়ধস ও অন্য দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। কিন্তু সামান্য বর্ষণ হলেই নগরজুড়ে দুর্ভোগ শুরু হয়। নালা-নর্দমা উপচে পড়ে, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। এসব সমস্যার সমাধান করা সরকারের দায়িত্ব। বিরোধীদল হিসেবে জনগণের দাবি সরকারের কাছে তুলে ধরা আমাদেরও দায়িত্ব।’

আরও পড়ুন

সফরসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, বিমানবন্দর থেকে তারা বাঁশখালী যাবেন। সেখান থেকে ফেরার পথে লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া এবং পরে নগরের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অবস্থা দেখে তাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া এবং সরকারের কাছে দাবি উত্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, দলের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো হবে। বিশেষ করে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে সহযোগিতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দলের সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে এ কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে।

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ, এই চার বিভাগ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। তবে রংপুরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হলে প্রতিবছরের মতো এবারও পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি ইতোমধ্যে তাদের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে অঙ্গীকারও করেছে। এখন সেই অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন দেখতে চায় জনগণ। প্রকল্পটি বড় হওয়ায় সময় লাগবে, তবে কাজ দৃশ্যমানভাবে শুরু হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর