চট্টগ্রামে ‘বড় সাজ্জাদ’ বাহিনীর টার্গেট তালিকায় আরও ২ জন

চট্টগ্রামে ‘বড় সাজ্জাদ’ বাহিনীর টার্গেট তালিকায় আরও ২ জন
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বড় সাজ্জাদ। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রামের কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’ ও ‘রায়হান’ গ্রুপের পরবর্তী টার্গেট নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র বলছে, এই চক্রের সম্ভাব্য খুনের তালিকায় আরও দুজন ব্যক্তি রয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের সতর্কও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে, শুক্রবার রাতে নগরের চান্দগাঁও থানাধীন একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগ।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, বার্তা আদান-প্রদান ও গ্যালারি পর্যালোচনা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সম্প্রতি নগরের রৌফাবাদ এলাকায় খুন হওয়া মোহাম্মদ হাসান ওরফে রাজু হত্যাকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও রয়েছে।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তাররা সরাসরি ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকলেও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন থেকে চার জনের পরিচয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

শুক্রবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে চান্দগাঁও থানার পুরাতন চান্দগাঁও পাঠানিয়া গোদা গোলাম আলী নাজির সড়কের একটি ভাড়া বাসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ডিবি (উত্তর) বিভাগের একটি বিশেষ টিম।

আরও পড়ুন

অভিযানে রাউজান উপজেলার আধার মানিক এলাকার মো. শুভ (২২) এবং কদলপুর শমসের পাড়া এলাকার মো. সুমনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৩০ রাউন্ড তাজা গুলি ও একাধিক কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিবি পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে কথিত ‘বড় সাজ্জাদ’ ও ‘রায়হান’ গ্রুপের হয়ে নগরের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা ও সিএমপির বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

সিএমপির (ডিবি উত্তর) উপ-কমিশনার হাবিবুর প্রামাণিক বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছে এবং সংগঠিত চক্রের হয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি চাঁদাবাজির ঘটনায় চন্দনপুরা এলাকায় স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান ও চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাসভবনে একাধিকবার গুলি বর্ষণের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী খুনের টার্গেট সম্পর্কেও ইঙ্গিত মিলেছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে রাউজান এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে থাকা পৃথক দুটি হত্যা মামলার বিচারও চলমান রয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad