খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের ২ সদস্য নিহত

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের ২ সদস্য নিহত
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

খাগড়াছড়িতে পৃথক দুইটি ঘটনায় আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের (প্রসীত গ্রুপ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার জেলার রামগড় ও দীঘিনালা উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।

রামগড় উপজেলায় সেনাবাহিনীর টহল দলের সঙ্গে ইউপিডিএফ সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনায় ববিন ত্রিপুরা (৩২) নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হন।

বুধবার সকালে উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম জানান, নিহতের মরদেহ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে। তবে ইউপিডিএফের সংগঠক অংগ্য মারমা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি, বরং তাদের কর্মীদের ওপর গুলি চালানোয় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে, দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামে ইউপিডিএফের আরেক সদস্য নিহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সুজন চাকমার মৃত্যু হয়। দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিপক্ষ জেএসএস (সন্তু লারমা) দলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছে ইউপিডিএফ, তবে এ বিষয়ে জেএসএসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad