কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটে নাফ নদীর মোহনায় স্পিডবোট উল্টে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার দুপুরে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ফেরার পথে নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় ঢেউয়ের আঘাতে স্পিডবোটটি উল্টে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্পিডবোটটিতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ সাতজন যাত্রী ছিলেন।
নিহতরা হলেন–সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমানের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন (৩৫) ও মেয়ে মাহিমা (৫)।
স্পিডবোট চালক মো. আরিফ জানান, সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের পথে শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচর এলাকায় উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের কারণে বোটটি হঠাৎ উল্টে যায়। পরে অন্য একটি স্পিডবোট এসে দুর্ঘটনাস্থল থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোট নাইক্ষ্যংদিয়া গোলার চর এলাকায় পৌঁছালে প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মা-মেয়ে দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহত মরিয়ামের ভাই বশির আহমেদ বলেন, ‘বোন আর ভাগনিকে নিয়ে স্পিডবোটে টেকনাফে ফিরছিলাম। ঢেউয়ের ধাক্কায় বোট উল্টে যায়। পরে তাদের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়।’
নিহত মরিয়ম খাতুনের ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল এবং সে পথেই এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসিফ আলভী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মা-মেয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আহত আরও দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিব হাসান চৌধুরী বলেন, ‘দুর্ঘটনায় দুজন মারা গেছে। কীভাবে স্পিডবোটটি উল্টে গেল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’


