কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই পর্যটকের মধ্যে মোহাম্মদ হারুন (২০) নামের একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃত পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড় নামের আরও এক পর্যটক।
বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি এলাকার সৈকত থেকে হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সোলেমান।
নিহত মোহাম্মদ হারুন চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার বাসিন্দা। তার আদি নিবাস নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার চাঁনপুর এলাকায়।
এসআই মোহাম্মদ সোলেমান বলেন, ‘বুধবার বিকালে পেঁচারদ্বীপ এলাকার মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে গোসলে নেমে দুই পর্যটক নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাদের উদ্ধারে লাইফগার্ড, বিচকর্মী ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে হিমছড়ি সৈকতে জোয়ারের পানিতে একটি মরদেহ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকালে পেঁচারদ্বীপের মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে পর্যটকদের সাতজন ও পাঁচজনের দুটি পৃথক দল সাগরে গোসলে নামে।
এ সময় ভাটার স্রোতে কয়েকজন ভেসে যেতে থাকলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা তিনজনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে দুই দলের একজন করে মোট দুজন নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানা যায়। তাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে হারুনের মরদেহ উদ্ধার হলো। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন নিবিড়।
নিখোঁজ আরেক পর্যটক এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড় ঢাকার উত্তরা এলাকার বাসিন্দা। তার সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এসআই সোলেমান। তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া হারুনের মরদেহ হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।


