হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি থাকা খালেদা জিয়ার এই সংকটকালে যে প্রশ্নটি বেশি সামনে আসছে তা হলো ‘তারেক জিয়া কখন ফিরবেন দেশে?’
এবার ফেসবুক পোস্টে সেই প্রশ্নেরই জবাব দিলেন তিনি। বললেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে।’
তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তবে পাশে নেই তার পরিবারের সবচেয়ে কাছের সদস্যদের অনেকে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও সরব হয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।
তারেক রহমান তার পোস্টে বলেন, ‘এমন সংকটে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
ফেসবুক পোস্টে মা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের রোগমুক্তির জন্য দোয়া অব্যাহত রাখায় দল মত নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান। সেই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করায় এবং তার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তাকে ধন্যবাদও জানান তারেক রহমান।
তিনি জানান, দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও বেগম জিয়াকে সর্বোচ্চ আন্তরিক সেবা দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
খালেদা জিয়ার প্রতি অবারিত ভালোবাসা দেখানোয় পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানান তারেক রহমান।


